Monday, 23 November 2015

রান্নাঘরের টুকিটাকি টিপস


রান্না ছাড়া একদিনও চলা দায়। কিন্তু ঘরের সৌন্দর্য নিয়ে অত মাথাব্যথার সময় কোথায়। বর্ধিত জিনিস না হয় আমরা ফ্রিজে সংরক্ষণ করি। কিন্তু বিস্কুট, পানীয়, সসের ভিড়ে ভর্তি হয়ে যায় কিচেন কেবিনেট। তখন প্রয়োজনের সময় জিনিস খুজে পেতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। কাজেই এগুলো একটু গুছিয়ে রাখলেই ঝামেলায় পড়ার হাত থেকে বাঁচা যায়। নিচে রান্নাঘরে এটা-ওটা গোছানো আর সংরক্ষণ করে রাখবার কিছু টিপস –
# রান্নার সময় ভাত, ডাল, দুধ উথলে পড়ে চুলা প্রায়ই নোংরা হয়। এক্ষেত্রে চুলা পরিষ্কারের জন্য প্রথমেই চুলার ওপর লবণ ছড়িয়ে দিন। চুলা ঠাণ্ডা হলে পরে গরম সাবান পানিতে কাপড় ভিজিয়ে জায়গাটি মুছে নিন।
রান্নাঘর আর খাবার ঘরে মাছির উপদ্রব এড়াতে নিমপাতার গোছা কয়েকটি স্থানে রেখে দিন।
kitchen
# মাছ বেশি ভাজা হলে কিংবা রসুন বেশি ব্যবহার করলে পুরো বাড়িতেই দুর্গন্ধ ছড়ায়। তাই রান্না শুরুর আগেই একটা বাটিতে ভিনেগার ঢেলে চুলার কাছেই রাখুন। এটি গন্ধ শুকানোর পক্ষে আদর্শ।
# ফ্রিজে প্রায়ই দুর্গন্ধ হয়। এক্ষেত্রে ফ্রিজে একটি পাতিলেবুর টুকরো করে রেখে দিন। তাতে এটি ভেতরের যাবতীয় গন্ধ শুষে নেবে ও ফ্রিজ পরিস্কার রাখবে। এছাড়াও ফ্রিজের খাবার সবসময় ঢেকে রাখুন।
# অনেক সময় ফ্রিজে সবজি পচে দুর্গন্ধ হয়। তাই প্রতি সপ্তাহে একবার ফ্রিজ পরিষ্কার করা উচিত।
# বাসনপত্রে যদি মাছের গন্ধ হয়, তাহলে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার ছিটিয়ে ধুয়ে নিলেই আর গন্ধ থাকবে না। আর রান্নাঘরে বা খাবার ঘরে বেশি মাছি হলে নিমপাতা থেঁতলে ওই ঘরের দু চার জায়গায় রেখে দিলে মাছি আর আসবেনা।
# মাছ-মাংস যদি ফ্রিজে বেশিদিন রাখতে হয়, তাহলে ভাল করে পানি বের করে নিয়ে তারপর প্যাকেট ভরে রাখলে অনেকদিন ভালো থাকবে।
# সেদ্ধ করার পর ডিমগুলোকে রেফ্রিজারেটরে তিন-চার দিন রাখতে চাইলে খোসা ছাড়িয়ে জলে ডুবিয়ে রেখে দেবেন। যাদের রেফ্রিজারেটর নেই তারা ডিমের উপর সরিষের তেল লাগিয়ে রাখবেন তাহলে গ্রীষ্মকালেও ডিমগুলো পাঁচ-সাতদিন ভালো থাকবে।
# লংকা, মরিচ বাটলে বা কাটলে হাত অসম্ভব জ্বালা করে। ঠান্ডা দুধের সর লাগান। জ্বালা কমে যাবে অথবা ঠান্ডা দুধ দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। হাত পুড়ে গেলেও তক্ষুনি ঠান্ডা দুধ দেবেন, ফোস্কা পড়বেনা। আর তাতে জ্বালাও কমবে।
# স্যালাড বা অন্য কোনো ভাবে কাঁচা শাক সব্জি খেতে হলে সেগুলি ধুয়ে সমপরিমান জল ও ভিনিগার মিশিয়ে তাতে ভিজিয়ে রাখুন, খানিকক্ষণ ভেজার পর তবেই ব্যবহার করুন, এতে জীবানুমুক্ত হয়।
# একসঙ্গে অনেক রসুন ছাড়াতে ভারি বিরক্ত লাগে। আস্ত রসুন ফুটন্ত জলে মিনিট দুয়েক ভিজিয়ে হাতে ঘষলে ওপরের খোসা ছেড়ে যায়। এবার রসুন বেটে নিয়ে শিশিতে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। অনেক দিন ভালো থাকবে।
# অনেক সময় টক দই, বিশেষ করে পুরনো হয়ে গেলে বড্ড বেশি টক হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে দই ন্যাকড়ায় বেঁধে খানিকক্ষণ ঝুলিয়ে রাখতে হয়। তাতে দইয়ের নিজের যে জল থাকে তা ঝরে যাবে, এবার প্রয়োজনীয় মাত্রায় দুধ মেশান। টক দই আবার  টাটকা ও মিষ্টি হয়ে যাবে।
# কাঁচকলা কাটবার সময় হাতে দাগ লাগে। হাতে তেল মেখে নিয়ে কাঁচকলা জলে ডুবিয়ে কাটলে দাগ পড়ে না। ঢেঁড়স কাটার বেলাতেও হাতে তেল লাগিয়ে নেওয়া ভাল। তা না হলে দাগ পড়ে ও চামড়ায় টান পড়ে।
# রান্নাঘরের সিংক কিংবা বেসিনের  জিনিস আটকে প্রায়ই পানি জমে যায়, দুর্গন্ধ হয়। সে ক্ষেত্রে বাড়িতে ব্যবহার করা যায় এমন ব্লিচ দুই কাপ ঢেলে দিন সিংক কিংবা বেসিনের মুখে। এরপর একঘণ্টা ওভাবে রেপোনি ঢেলে দিন। দেখবেন সিংক কেমন পরিষ্কার হয়ে গেছে।
আজকাল অনেকেই গাছ দিয়ে ঘর সাজায়। সেক্ষেত্রেও আপনি আপনার রান্নাঘরের অব্যবহৃত কোন একটি কোণে রাখতে পারেন কোনো বনসাই গাছ। তাহলে আপনার রান্নাঘরও হয়ে উঠবে আরও অনেক স্বতন্ত্র ও নান্দনিক।

অল্প স্বল্প ঘরোয়া রান্নার টিপস

এই টিপসগুলো মূলত তাদের জন্য যারা রান্নার জন্য সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করেন। তবে যারা গ্যাস লাইনের গ্যাস ব্যবহার করেন, তাদেরও টিপসগুলো কাজে লাগানো উচিৎ। গ্যাসের ব্যবহার আর দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে গ্যাসের সাশ্রয় করা অতি জরুরি। এবার আমি কিছু টিপস দিব যাতে গ্যাসের সাশ্রয় হয়, সবই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে। জঙ্গলে থাকি বহুদিন ধরে। সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ বছর ধরে সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করছি। গত তিন বছরে মাত্র তিনবার সিলিন্ডার বদল করেছি। আমাকে কঞ্জুস বলুন বা যা-ই বলুন, টিপসগুলো কিন্তু কাজের। এবার দেখে নিন কী কী উপায়ে এই সাশ্রয়টুকু করি।


১. ভাত:

প্রথমেই আসি ভেতো বাঙালীর ভাতের কথায়। ভাত ফুটাতে এমনিতে যতটা সময় লাগে তার তিন ভাগের এক ভাগ সময় নিয়ে ফুটাতে পারেন যদি প্রেসার কুকার ব্যবহার করেন। শুধু চাল আর পানির পরিমাণটা ঠিক থাকলেই হল। সাধারণভাবে যেটুকু চাল তার দ্বিগুণ পানি নিলেই হবে। প্রেসার কুকারে তিনবার লম্বা সিটি বাজলেই ভাত সিদ্ধ হয়ে যাবে। এতে সময় নিবে পাঁচ থেকে সাত মিনিট। যদি কারও কুকারে লম্বা সিটি না বাজে, ছোট ছোট সিটি বাজে, তাহলে তিনবারের বদলে ছয়বার সিটি গুণতে হবে। আর চুলা বন্ধ করার আরও ১৫-২০ মিনিট পর কুকারের ঢাকনি খুলতে হবে। তাহলে ভাত মোটামুটি ঝরঝরে হয়ে যাবে। এর আগে ভাপ বের করে খুলে ফেললে ভাত আঠালো থাকে। আর কেউ যদি ইলেকট্রিক রাইস কুকারে ভাত ফুটান, তাহলে তো ভাতের পিছনে কোন গ্যাসই খরচ হবে না।


২. ডাল:

ভাতের পরই চলে আসে ডালের কথা। মসুরের ডাল সিদ্ধ হতে যে সময় লাগে একেও তিন ভাগের এক ভাগে কমিয়ে আনতে পারেন। শুধু একটা ছোট কাজ করতে হবে। ডাল সিদ্ধ বসানোর চার ঘন্টা আগে ডাল ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। আমি যেটা করি, অফিসে যাওয়ার আগে ডাল ভিজিয়ে রেখে যাই, দুপুরে অফিস থেকে এসে রান্না করি। দশ মিনিটের মধ্যে ডাল সিদ্ধ হয়ে যায়। এরপর পেঁয়াজ-মরিচ-রসুন তেলে ভেজে বাগার দিয়ে দিলেই হল। পনের মিনিটে ডাল রান্না শেষ। মনে করে ডাল সিদ্ধ করার সময় পানি কমিয়ে দিতে হবে। নয়তো পানি শুকাতেই সময় লেগে যাবে। চার ঘন্টা ভিজানোর সময় না থাকলে প্রেসার কুকারেও ডাল সিদ্ধ করা যায়, তবে ওতে কেন যেন ডালের স্বাদটা ঠিক আসে না।


৩. গরু/খাসীর মাংস:

গরু/খাসীর মাংসের জন্যও সেই প্রেসার কুকারই ভরসা। তবে দুইভাবে রান্না করা যায়। একটা হল মাংস আগে প্রেসার কুকারে সিদ্ধ করে চর্বির পানিটুকু ফেলে দিয়ে এরপর মশলা কষিয়ে রান্না করা যায়। অথবা আগেই মশলা দিয়ে কষিয়ে নিয়ে এরপর পানি দিয়ে প্রেসার কুকারে বসিয়ে দেয়া যায়। প্রথমটায় তেল-চর্বি কম থাকে, দ্বিতীয় পদ্ধতিতে কষানোটা ভালো হয়। আমি আগে প্রথম পদ্ধতিতে করতাম, এখন দ্বিতীয় পদ্ধতিতে মাংস রান্না করি। প্রেসার কুকারে মাংস ভালো মত সিদ্ধ হতে কমপক্ষে বারোটা লম্বা সিটি বাজতে হবে।

কেউ কেউ মুরগীর মাংসও প্রেসার কুকারে করে। আমি এখনও চেষ্টা করে দেখিনি। মুরগীটা একেবারে ভুনা না হলে আমার ভালো লাগে না, তাই কড়াইতেই করি। আজকাল তো রাইস কুকারের মত কারি কুকারও পাওয়া যায়। এমনটা হলে গ্যাস আরও অনেকখানি সাশ্রয় করা যায়। তবে আমাদের বিদ্যুতের এত সমারোহও নেই, আর তার উপর বিদ্যুৎ উৎপাদনের পিছনেও সেই গ্যাসই লাগে। তাই আমি আসলে নিয়মিত কুকার ব্যবহারে খুব একটা আগ্রহী নই। জরুরী ভিত্তিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।


৪. শাক-সবজী:

এগুলো প্রেসার কুকারে ঠিক সুবিধা হয় না। তাই কড়াইতেই রান্না করি। তবে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রান্না করি, এতে তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়। শুধু আলুভর্তার জন্য আলু সিদ্ধ করতে প্রেসার কুকার খুব কাজে লাগে। দুইটা লম্বা সিটিই আলু সুন্দরমত সিদ্ধ করার জন্য যথেষ্ট।


৫. পোলাও/খিচুড়ি:

প্রেসার কুকারে সাদা পোলাও করা যায়। এক্ষেত্রে চালের পরিমাণ যতটুকু, পানিও ঠিক ততটুকু নিতে হবে। আর খিচুড়ি যদি পোলাও-এর চাল দিয়ে করতে চান, তাহলে চাল-ডালের সমপরিমাণ থেকে একটু কম পানি দিতে হবে। ভাতের চাল দিয়ে খিচুড়ি করলে ডালের সমপরিমাণ পানি, আর চালের দ্বিগুণ পরিমাণ পানি যোগ করে দিলেই হবে। সবজি-খিচুড়ি করলেও একই নিয়ম, শুধু সবজীর জন্য খুব সামান্য পরিমাণ পানি যোগ করে দিতে হবে।



এবার সাধারণ কিছু টিপস।

৬. দেশলাই খরচ করতে কোন কার্পণ্য করা যাবে না। যতবার রান্না শেষ হবে, সাথে সাথে চুলার আগুন নিভিয়ে ফেলতে হবে। এমন কি দুই মিনিটের বিরতিতে পরবর্তী রান্না বসাতে চাইলেও।

৭. ফ্রিজে খাবার রেখে গরম করে খেতে যদি অরুচি না থাকে তো একবারে বেশি করে রান্না করে রেখে দিন। পরে শুধু গরম করে করে খাবেন। প্রতি বেলায় রান্না করা লাগবে না, গ্যাস খরচ কম হবে।



এবার একটা ফাঁকিবাজি টিপস। ;)

৯. গ্যাস বাঁচানোর একটা কার্যকর পদ্ধতি হল ডায়েট কন্ট্রোল করা ;) , আর নয়তো রুচি বদলের নামে রেস্টুরেন্টে খাওয়া। আরেকটা পদ্ধতি আছে, যত দাওয়াত পাওয়া যায়, কোনটাই মিস না করা। :P

ইয়ে মানে, আমি আসলে এই পদ্ধতিতেই একটা সিলিন্ডার এক বছরের বেশি চালাই, নয় তো ছয় মাসেই শেষ হওয়ার কথা ছিল। :#>



বোনাস টিপস।

১০. প্রেসার কুকার নিয়ে বেশ কিছু ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরিণতি দেখেছি। তাই এই জিনিস ব্যবহারে সাবধান হওয়া খুব জরুরি। প্রতিবার ব্যবহারের পর প্রেসার কুকার ঠিকমত পরিষ্কার করলেই দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। শুধু প্রেসার কুকারের জন্যই হাতের কাছে একটা আলপিন/সেফটিপিন রেখে দিতে হবে। প্রতিবার ব্যবহারের পর যখন কুকার ধুবেন, আলপিন/সেফটিপিন দিয়ে ভালভের নিচের অংশটুকু যেটা ঢাকনির ভিতরের পাশে থাকে, তার ছিদ্রগুলো পরিষ্কার করে ফেলতে হবে। আর সেফটি ভালভটাও ভালোমত পরিষ্কার করতে হবে। কালো রাবারের ব্যান্ডটা (নামটা ভুলে গিয়েছি) অনেকদিন ব্যবহারে ঢিলা হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে পাল্টে নিতে হবে। ভালভ, সেফটি ভালভ-ও আলাদা করে কিনতে পাওয়া যায়, যে কোনটি নষ্ট হয়ে গেলে সেটা পাল্টে নিতে হবে। নষ্ট জিনিস দিয়ে পন্ডিতি করে রান্নার চেষ্টা না করাই নিরাপদ।

ওভেন ছাড়াই তৈরি করুন দারুণ স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু ক্যারট কেক


কেক খাবার কথা চিন্তা করলেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে দারুণ ক্রিম মাখানো মুখরোচক একটা খাবার, সেই সাথে মনে পড়ে যায় এতে ক্যালোরিটাও অনেক। ডিম, ক্রিম, চকলেট, মাখন এসব মিলিয়ে কেক খেতে অনেকেই ভয় পান। কিন্তু ক্যারট কেকের মাঝে এসবের বালাই নেই, বরং গাজর দিয়ে তৈরি এই কেক স্বাস্থ্যকরই বটে। বাড়িতেই প্রেশার কুকারে তৈরি করে ফেলতে পারবেন এই কেক, যেতে হবে না ওভেনের ঝামেলায়। সুস্বাদু এবং হালকা একটা স্ন্যাক্স হিসেবে ক্যারট কেক অসাধারণ।

উপকরণ:

-   এক কাপ ময়দা
-   আধা কাপ গাজর মিহি কুচি করা
-   গুঁড়ো চিনি পৌনে এক কাপ
-   লবণ এক চিমটি
-   মশলা আধা চা চামচ
-   বেকিং পাউডার আধা চা চামচ
-   বেকিং সোডা আধা চা চামচ
-   তেল সিকি কাপ
-   দই আধা কাপ
-   কাঠবাদাম সিকি কাপ
-   দুই কাপ লবণ (বেকিং এর জন্য)

প্রণালী

১) প্রেশার কুকারে ২ কাপ লবণ দিন। এর ওপরে একটা তারের র‍্যাক এবং পারফোরেটেড প্লেট রেখে ঢাকনা দিয়ে দিন। এটাকে চুলায় প্রি-হিট হতে দিন।
২) একটা মিক্সিং বোলে ময়দা, গুঁড়ো চিনি, বেকিং সোডা, বেকিং পাউডার, লবণ, মশলা এবং বাদাম দিয়ে দিন। ভালো করে বিট করে নিন।
৩) আরেকটি বোলে দই এবং তেল ভালো করে বিট করে নিন।
৪) একটি ৭ ইঞ্চি কেক টিনের ভেতরে ভালো করে তেল মাখিয়ে নিন।
৫) দইয়ের মিশ্রণ ময়দার মিশ্রণে দিন। এরপর গাজর কুচি দিয়ে সব ভালো করে মিশিয়ে নিন। যদি ব্যাটার বেশি ঘন হয় তবে দুই-এক টেবিল চামচ দুধ দিতে পারেন।
৬) ব্যাটার দিয়ে দিন কেক টিনে। এটাকে প্রেশার কুকারের ভেতরে মাঝখানে রাখুন। মাঝারি আঁচে রান্না হতে দিন ২০-২২ মিনিট।
৭) ২০ মিনিট পর একটা টুথ পিক কেকের ভেতর ঢুকিয়ে দিন। যদি এটা পরিষ্কার হয়ে বের হয়ে আসে তবে বুঝবেন কেক হয়ে গেছে। পরিষ্কার না থাকলে আরও কিছুক্ষণ বেক করুন।
৮) প্রেশার কুকার থেকে কেকটা বের করে ঠাণ্ডা হতে দিন। এরপর ছুরি দিয়ে বেকিং টিন থেকে কেক্টা আলগা করে বের করে নিন। ওপরে ক্রিম, আইসিং সুগার দিয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন অথবা এমনিই পরিবেশন করতে পারেন চা-কফির সাথে।

Thursday, 12 November 2015

ground beef dinners

I loved this one Inez, you are fast becoming my favorite recipe poster. I have never been able to make a good spaghetti and meat ball dish and I have tried many times but this one turned out great. I didnt change a thing. Thanks.I loved this recipe. We used wheat pasta and it gave it a nice taste. I also added just a sprinkle of sugar to ease some of the tomato tartness. It was really good.I loved this recipe. We used wheat pasta and it gave it a nice taste. I also added just a sprinkle of sugar to ease some of the tomato tartness. It was really good.
  1. With your clean hands start by adding 3/4 to 1 cup of warm water and the burrito seasoning packet in a large pot. Place the raw hamburger in the liquid and use your hands to break all down so there are no chunks. Bring the mixture to a full boil then reduce the heat and allow to simmer, stirring occasionally, until all the liquid has been absorbed.
  2. Place a tortilla on a plate and cover with a damp towel. Microwave on high for 15 seconds. Remove tortilla from the microwave, uncover. Slightly off center of the tortilla, spread on 2 tablespoons of sour cream on the tortilla. Place 1/4 of the ground beef on top of the sour cream. Place 1/4 cup of the cheese blend on top of the ground beef. Sprinkle on tomatoes and green onions. Top with 2 tablespoons of Recipe #311703.
  3. Fold the front of the tortilla over the filling. Tuck the left and right sides of the tortilla inside as you roll. Roll the belly on top of the back so the weight of the filling holds it together. Use a small piece of masking tape if necessary, but remember to use only edible tape. : ).

chicken recipes


  1. In small bowl, combine lime juice and olive oil.
  2. Dip each chicken part in mixture, covering completely. On foil-lined baking pan, arrange chicken in single layer; sprinkle with salt and pepper.
  3. Arrange oven rack at least 6-inches from heat and set temperature to broil.
  4. Broil chicken about 15 minutes; turn and pour remaining lime-oil mixture over chicken. Broil about 15 minutes more, until fork can be inserted into chicken with ease.
  5. Pour mushrooms over chicken and return to oven for about 2 minutes, until mushrooms are hot.Delicious and easy. Perfect as a weeknight dinner. I made this as written except for scaling the recipe down for one and increasing the quantity of mushrooms. Made for Zaar Stars Tag.

healthy recipes

Wow! so moist and delicious. they don't even taste like "healthy" muffins. i loved that there was almost no sugar in them. can not wait to make again and will double the recipe and freeze a bunch.Very healthy muffins. but the kids don't like it because they prefer sweeter food. i added up the amount of sugar to 1 cup and it is a bit sweeter than before. the amount of the sugar also depends how sweet the canned peaches are. Friends like it and will make again.Usually 'healthy' muffins taste like sawdust....These have great flavor and are moist.Sub 1/2 whole wheat flour and cut back on oil. Already gave recipe to neighbor! Thanks...
5 Cool Hot Cocoa Hacks